রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুসিক নির্বাচন: ১নং ওয়ার্ডের ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন রোটা:আবুল হোসেন ছোটন চুনারুঘাটে চা শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা।। ১০ দফা দাবি উত্থাপন যশোরে ১ যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ। শার্শা ঝিকরগাছা বাজার গুলোতে জৈষ্ঠ্যের মধু মাসে রসে ভরা তালের শাঁস। গফরগাঁওয়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার ভারতে পাচার ৫ তরুণী বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফেরৎ। ভৈরব শান্তিপূর্ণ ভাবে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র দ্বি- বার্ষিক সন্মেলন অনুষ্ঠিত। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে অর্থ সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন “তিতাস ইয়াং ফ্রেন্ডস ক্লাব” মুন্সীগঞ্জে বাংলা টিভির বর্ষপূর্তি উদযাপন ঘাট ইজারায় দূর্নীতি ইজারাদার ও ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

অগ্রযাত্রা’র অনুসন্ধানী তৎপরতায় নারীদের অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে হয়রানি করা ইউটিউবার আফসার র‍্যাবের অভিযানে আটক

Coder Boss
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৮ জন পড়েছে

রিপোর্টঃ মেহেদী হাসান অর্নব ও এসএম নূরনবী-

অনুসন্ধানমূলক জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা অগ্রযাত্রা’র অপরাধ অনুসন্ধান বিভাগ ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট এর তৎপরতায় র‍্যাবের অভিযানে আটক হয়েছে ফেসবুক ও ইউটিউবে নারীদের নগ্ন ছবি, এডিটিং করা ছবি ও পর্নো ভিডিও প্রচার করে নারীদের হয়রানি করা কথিত ইউটিউবার আফসার উদ্দিন। তার মোবাইল ল্যাপটপ থেকে অসংখ্য নারীর নগ্ন ছবি,ভিডিও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি প্রবাসী এক নারীর ছবি এডিট করে অসংখ্য অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়ে দেয় আফসার। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ঐ নারী অগ্রযাত্রা’র সাথে যোগাযোগ করলে,অগ্রযাত্রা’র ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট এর সাংবাদিকদের তত্ত্বাবধানে প্রথমে ঐ নারীকে মোহাম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করানো হয়,এরপর অনুসন্ধানে নামে অগ্রযাত্রা’র অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা৷ মাত্র ২০ দিনের অনুসন্ধানে ইউটিউবার আফসার ও ঐ নারীর সাবেক স্বামী গাজী সুজনের অপকর্ম সম্পর্কে অনেক তথ্য প্রমাণ আসে অগ্রযাত্রা’র হাতে। অনুসন্ধানে জানা যায়-
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার লাকি আক্তারকে ৩ বছর আগে সৌদি আরবে বিয়ে করে কুমিল্লার বাসিন্দা সৌদি আরব প্রবাসী গাজী সুজন। গাজী সুজনের আগে আরো একাধিক বিয়ে করার বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের সংসারে অশান্তি হতে থাকে এবং একপর্যায়ে গাজী সুজন লাকির ওপর যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতে থাকে। নির্যাতন থেকে বাঁচতে লাকি আক্তার দেশে ফিরে গাজী সুজনকে ডিভোর্স পাঠান। কিন্ত তবুও গাজী সুজন অনবরত লাকির পরিবারের কাছে যৌতুকের প্রায় ২৫ লাখ টাকা দাবি করতে থাকেন। মূলত তার নেশাই ছিলো একের পর এক বিয়ে করে যৌতুক আদায় করা। লাকির পরিবার বার বার টাকা দেয়ার বিষয়টি প্রত্যাখান করলে এক পর্যায়ে গাজী সুজন রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসবাসরত ইউটিউবার আফসার উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করে এবং তার কাছে থাকা লাকির বিভিন্ন ছবি আফসারকে দিয়ে তা অশ্লীল ভিডিও আকারে ছড়িয়ে দিতে বলে৷ এক্ষেত্রে সে আফসারকে নিয়মিত টাকা দিবে বলেও জানায়৷ আফসার এরপর থেকে লাকি আক্তার নামের ঐ নারীর স্বাভাবিক ছবিগুলোকে বিভিন্ন পর্নো ভিডিওর থাম্বনেইল দিয়ে এবং এডিট করে অন্য পর্ন ভিডিওর সাথে সংযুক্ত করে নিয়মিত ইউটিউবে ও ফেসবুকে পোস্ট করা শুরু করে। গত ২ মাসে ভুক্তভোগী লাকি আক্তারের নামে তার সাবেক স্বামী গাজী সুজনের অর্থায়ন, সহযোগিতা, ও নির্দেশনায় অন্তত ৩৫ টি অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে তা ছড়িয়ে দেয় ইউটিউবার আফসার। দুদিন পরপরই গাজী সুজন আফসারকে নতুন ভিডিও প্রকাশ করতে টাকা পাঠাতো আর আফসার গাজী সুজনের কাছে টাকা ও অশ্লীল ভিডিও চাইতো। এভাবেই পরিকল্পনা করে লাকী আক্তার নামে ঐ ভুক্তভোগীকে চরম হয়রানি করতে থাকে তারা। পাশাপাশি ভুক্তভোগী লাকির ছবি অন্যান্য অপ্রাসঙ্গিক অশ্লীল ভিডিওতেও ব্যবহার করা শুরু করে আফসার৷ এতে চরম মানহানির ও হয়রানির শিকার হয়ে ভুক্তভোগী নারী লাকি আক্তার তার সাবেক স্বামী গাজী সুজন ও ইউটিউবার আফসার উদ্দিন কে অভিযুক্ত করে প্রমাণসহ এ বিষয়ে থানায় লিখিত করেন।

অনুসন্ধানে আরে জানা যায়-

ইউটিউবার আফসার উদ্দিন ক্বওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলো। পারিবারিক টানাপোড়েনের কারণে গাড়ির গেরেজে চাকরি নেয় সে। ২০১৯ সালে ইউটিউব চ্যানেল খুলে ইসলামিক বিভিন্ন ভিডিও আপলোড দিতে থাকে আফসার। কিন্ত তাতে বেশী সাড়া না পাওয়ায় অশ্লীল ভিডিও বানাতে প্রলুব্ধ হয় সে। কারণ অশ্লীল ভিডিওর ভিউস বেশী (দর্শক বেশী)। এরপর থেকে সে বিভিন্ন পর্নোসাইট থেকে নিয়মিত অশ্লীল ভিডিও ডাউনলোড করে এবং বিভিন্ন সময় ফাঁস হওয়া নারীদের গোপন ভিডিও সংগ্রহ করে তা নিয়মিত তার ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে প্রকাশ করতে থাকে। এক পর্যায়ে স্ত্রীর কাছ থেকে ডিভোর্স প্রাপ্ত স্বামীদের বিশেষ করে প্রবাসীদের কাছ থেকে তাদের সাবেক স্ত্রীদের গোপন ভিডিও সংগ্রহ করতে শুরু করে সে। এবং সেসব ভিডিও আরো অন্যান্য পর্নো ভিডিওর সাথে মিলিয়ে একত্রে প্রকাশ করতো তার ইউটিউব চ্যানেলে। এতে করে প্রবাসীদের কাছ থেকেও টাকা পেতো আফসার। পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত অশ্লীল ভিডিও দিয়ে প্রচুর টাকা উপার্জন শুরু হয় তার। নিয়মিত বিভিন্নজনের কাছ থেকে অশ্লীল ভিডিও সংগ্রহ করাটা আফসারের নেশায় পরিনত হয়। পাশাপাশি প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রবাসী এক বাংলাদেশী নারীর সাথে ভিডিও চ্যাটিংয়ে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের একাধিক গোপন দৃশ্য সংগ্রহ করে রাখে সে। এছাড়া বিভিন্ন নারীর সাবেক স্বামীদের কাছে থাকা অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ও ভিডিও মেসেনজার,ইউটিউব, ও ফেসবুকে ছড়িয়ে দিতো সে। তার মূল উদ্দেশ্যই ছিলো নারীদের হয়রানি করে ভিডিও বানানো ও টাকা উপার্জন। সে বিভিন্ন জনকে ভিডিও ভাইরাল করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করার হুমকি দিতো। এছাড়া বিভিন্ন প্রবাসীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের সাবেক স্ত্রীর মোবাইল নং, ছড়িয়ে দিয়ে হয়রানি করা কিংবা ভুয়া ” এই নারীকে ধরিয়ে দিন” এমন বড় টাইটেল ভিডিওতে দিয়ে ভুক্তভোগী নারীদের হয়রানি করতো। আফসারের ছোটবড় মিলিয়ে ২০ টিরও বেশী ইউটিউব চ্যানেল, ৭ টি ফেসবুক পেজ, ৯ টি জিমেইল আইডি, রয়েছে। আফসার তার নিজস্ব স্টুডিওতে প্রতি মাসে ১৫- ২০ টি অশ্লীল ভিডিও বানাতো। তার ইউটিউব,ফেসবুক এর বিভিন্ন চ্যানেল ও পেজ মিলিয়ে তাকে অন্তত সাড়ে ৪ লক্ষ মানুষ নিয়মিত অনুসরণ করতো (দর্শক)। এছাড়া এ ধরণের ভিডিও বানায় আফসারের নেতৃত্বাধীন এমন একটি সংঘবদ্ধ ইউটিউবার চক্র রয়েছে। এভাবে এখন পর্যন্ত সে কয়েকজন প্রবাসীর কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে নারীদের হয়রানি করে আসছে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় অশ্লীল ভিডিও দিয়ে নারীদের হয়রানি করা এমন ইউটিউবার সারাদেশে আরো অসংখ্য রয়েছে। মূলত এসব ভিডিওর দর্শক বেশী বিধায় এমন ভিডিও তৈরির দিকে ঝুকছে তারা। পাশাপাশি যেসব নারীরা তাদের স্বামীকে ডিভোর্স দেন সেসব নারীরা তাদের সাবেক স্বামী কর্তৃক এমন হয়রানির শিকার হন বেশী এক্ষেত্রে সেসব স্বামীরা তাদের কাছে থাকা সাবেক স্ত্রীর গোপন ছবি ব্যবহার করে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তা ছড়িয়ে দেন আফসারের মতন এমন উঠতি ইউটিউবার দের মাধ্যমে। এতে করে সমাজে নারীবিদ্বেষ ও হয়রানিমূলক প্রবনতা বেড়েই চলেছে।

অগ্রযাত্রা অনুসন্ধানে প্রাপ্ত সকল তথ্য র‍্যাব সদরদপ্তর,র‍্যাব-৪ সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন শাখায় পাঠালে অগ্রযাত্রা’র দেয়া তথ্যানুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর ইউটিউবার আফসারকে আটকে অভিযানে নামে র‍্যাব-৪ এর একটি দল। অভিযানে ইউটিউবার আফসার আটক করা হয়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ইউটিউবার আফসার ও ভুক্তভোগীর সাবেক স্বামী সৌদি প্রবাসী গাজী সুজন কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন৷ মামলার ২য় আসামী গাজী সুজন কে পলাতক দেখানো হয়েছে। প্রবাসে থাকায় তাকে আটক করা না গেলেও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানা গেছে র‍্যাব সুত্রে।
এ ব্যাপারে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব-৪ এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতিও পাঠানো হয়েছে। সেটি হলো-

ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদপুর থানাধীন এলাকা হতে সাইবার ক্রাইম এর ০১ জন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‌্যাব এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন উঠতি বয়সী যুবক যুবতী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সইবার ক্রাইম সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে আসছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি এসব সাইবার ক্রামই সংক্রান্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে।

গত ১৩/১২/২০২১ ইং তারিখ বাদী দায়ের করা একটি অভিযোগ তদন্ত করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬/১২/২০২১ ইং তারিখ র‌্যাব-৪ এর একটি অভিযানিক দল মোহাম্মদপুর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৩ টি মোবাইল, ০১ টি ক্যামেরা ষ্ট্যান্ড, ০২ টি লাইট ষ্ট্যান্ড, ০১ টি মাউথ ষ্ট্যান্ড, ০১ টি লাইট প্রফেশনাল, ০১ টি রাউটার, ০২ টি মাউথ পিস, ০১ টি ভিডিও ছাতা, ০৩ টি পর্দা এবং ১০০ টি ভিজিটিং কার্ডসহ সাইবার ক্রাইম এর নিম্নোক্ত ০১ জন সদস্য’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ঃ

(ক) মোঃ আফছার আহমেদ (২১), জেলা-ময়মনসিংহ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী তার নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী পূর্বে গাড়ীর ড্রাইভার ছিল। বর্তমানে সে একজন ইউটিউবার। টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন লোকজনের নিকট হতে ভিডিও সংগ্রহ করে তার অংশ বিশেষ নিজের ইউটিউব চ্যানেল (BD The Best) পোষ্ট করে থাকে। এছাড়াও ধৃত আসামী গুগল ও ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ডাউনলোড করে তা এডিটিং করে এবং ভিডিওর শুরুতে এবং মাঝে বিভিন্ন প্রকার আপত্তিকর ছবি/ভিডিও সংযোজন করে নিজের ইউটিউব চ্যানেল (BD The Best) এ প্রচার করে থাকে। ধৃত আসামী টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন লোকজনের পাঠানো ভিডিও এডিটিং করে ভিডিওর মাঝে পর্ণ ছবি/ভিডিও সংযোজন করে। ধৃত আসামী বিভিন্ন প্রাবাসী মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে ভিডিও কলে উক্ত মেয়েদের সাথে কথা বলে। কথা বলার একপর্যায়ে মেয়েদেরকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় ভিডিও কলে কথা বলতে বলে। নিরুপায় হয়ে তার ফাদে পা দিয়ে তার সাথে বিবস্ত্র অবস্থায় কথা বলে আসামী উক্ত সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বিবস্ত্র থাকা অবস্থার ভিডিও স্ক্রীনশট দিয়ে রাখে। পরবর্তীতে মেয়েদের বিবস্ত্র স্ক্রীনশট গুলো প্রচুর ভিউ পাওয়ার জন্য তার নিজের ইউটিউব চ্যানেল (BD The Best) এর বিভিন্ন ভিডিওর থামলাইন এ ব্যবহার করে। এভাবে উক্ত আসামী দীর্ঘদিন যাবত অসৎ উদ্দেশ্য সাধন কল্পে অবৈধ উপায়ে আইন বহির্ভূত কার্যক্রম করে অনলাইন ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহার করে তাতে বিভিন্ন মেয়েদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সংযোজনের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে আসছে মর্মে আসামী স্বীকার করে।

উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এরূপ অপরাধীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর জোড়ালো অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102