সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গলাচিপায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ পতিত জমি চাষে সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে: নোয়াখালীতে কৃষি মন্ত্রী নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষা গালমন্দ গলাচিপায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউ পি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার চুনারুঘাট সীমান্তে থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় চোরাই চা-পাতা সহ একজন আটক গলাচিপায় জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ গফরগাঁওয়ে অপহৃত শিক্ষার্থী গাজীপুরে উদ্ধার, অপহরণকারী যুবক গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় অপহরণকারীর চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার ঝিকরগাছায় মানবাধিকার কল্যান ট্রাস্টের সহায়তায়জোড়া লাগলো আশার ভাঙা সংসার যশোরের শার্শায় মোটরসাইকেলের চাকায় পিষ্ট হয়ে ৬ বছরের ১ শিশু নিহত।

কোটচাঁদপুরের রাশেদুল কি মেডিকেলে ভর্তি হতে পারবে, কে নেবে তার দায়িত্ব

মোঃ বাবলু মিয়া :ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ১১৮ জন পড়েছে

রুহানীর পর এবার অর্থের অভাবে মেডিকেলে ভর্তির শঙ্কা তৈরী হয়েছে রাশেদুল ইসলামের (২০)। কি ভাবে ভর্তির টাকা জোগাড় হবে এই চিন্তায় পড়েছে রাশেদুলের পরিবার। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অদম্য মেধার পরিচয় দিয়েছেন রাশেদুল। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ হয়েছে তাঁর। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণে এখন বড় বাধা অর্থ। ভর্তি থেকে শুরু করে পরবর্তী পড়ালেখার খরচ কীভাবে জুটবে, এই চিন্তা এখন গোটা পরিবারের। বাবা মজনুর রহমান পাওয়ার টিলার চালক। অন্যের গাড়িতে কাজ করেন। মাঠে মাঠে জমি চাষ করেন। এভাবে যা আয় করেন, তা দিয়ে ঠিকমতো সংসারই চলে না, সেখানে ছেলের পড়ার খরচ কোথা থেকে আসবে এই চিন্তা তাঁর। পরিবারের সদস্যদের আশঙ্কা, অর্থের অভাবে ছেলের স্বপ্ন শেষ না হয়ে যায়। রাশেদুলদের বাড়ি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামে। সামিয়া মরিয়ম (৭) নামের তাঁর আরেকটি ছোট বোন রয়েছে। রাশেদুলের বাবা মজনু জানান, অভাবের সংসার তাঁর। নিজের মাঠে কোনো চাষযোগ্য জমি নেই। মাত্র ৯ শতক জমির ওপর ভিটেবাড়ি। মাটির এক কক্ষের ঘরের মধ্যে রাশেদুল পড়ালেখা করেন। আর বারান্দা ঘিরে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী ছোট মেয়েকে নিয়ে ঘুমান। বাড়িতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি আর কবুতর পালন করেন তাঁরা। মা ফিরোজা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই রাশেদুলের পড়ালেখার প্রতি খুবই আগ্রহ। সারাক্ষণ পড়ালেখা নিয়েই থাকেন। কখনো ছেলেকে পড়ার কথা বলতে হয়নি। বাড়িতে পড়ালেখা করেই সব সময় ভালো ফল করেছেন। কোনো পরীক্ষায় রাশেদুল দ্বিতীয় হননি। মা বলেন, ‘ছেলের অনেক দিনের স্বপ্ন ডাক্তারি পড়ার। এখন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু পড়ানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। স্বামী কলের লাঙল চালিয়ে দিনে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। বছরে ৪ মাস এই কাজ হয়। বাকি ৮ মাস বাড়িতে গরু লালনপালনের পাশাপাশি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। রাশেদুল জানান, বাবা পড়ালেখার খরচ দিতে পারেন না, তাই কখনো প্রাইভেট পড়তে যাননি। বাড়িতে পড়ালেখা করেই ভালো ফল নিয়ে এসেছেন। রাশেদুর পার্শ্ববর্তী রামনগর কে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি পাস করেন। একই গ্রামে অবস্থিত এ অ্যান্ড জে কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করছেন। করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে না পারলেও আগের ফলাফলের ভিত্তিতে ফলাফল জিপিএ-৫ এসেছে। রাশেদুল আরও বলেন, এসএসসি পাসের পর অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারছিলেন না। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান লেন্টু টাকা দিয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। রাশেদুল চিকিৎসক হয়ে গ্রামের মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখেন। এই স্বপ্ন পূরণে বিত্তবানদের সহযোগিতা চান তিনি। রাশেদুলের সঙ্গে যোগাযোগ ০১৩০৩-৬৭৩১৩৭

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102