সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গলাচিপায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ পতিত জমি চাষে সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে: নোয়াখালীতে কৃষি মন্ত্রী নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষা গালমন্দ গলাচিপায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউ পি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার চুনারুঘাট সীমান্তে থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় চোরাই চা-পাতা সহ একজন আটক গলাচিপায় জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ গফরগাঁওয়ে অপহৃত শিক্ষার্থী গাজীপুরে উদ্ধার, অপহরণকারী যুবক গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় অপহরণকারীর চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার ঝিকরগাছায় মানবাধিকার কল্যান ট্রাস্টের সহায়তায়জোড়া লাগলো আশার ভাঙা সংসার যশোরের শার্শায় মোটরসাইকেলের চাকায় পিষ্ট হয়ে ৬ বছরের ১ শিশু নিহত।

কোটচাঁদপুর যুবসমাজ অনলাইন গেমে আসক্ত, ধ্বংসের মুখে উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা,

Coder Boss
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৬৫ জন পড়েছে

মোঃ বাবলু মিয়া ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি,

যে সময় শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত থাকার কথা নিয়মিত পড়ালেখাসহ শারীরিক খেলাধুলায়, সেখানে তারা ডিজিটাল এই যুগে স্মাট ফোনের সাহায্যে জড়িয়ে পড়েছে অনলাইনের নানা রকম গেমে।তারই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে দিন দিন ইন্টারনেটে ঝুঁকছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। করোনায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার ও অন্যান্য অনলাইন খেলায় জড়িয়ে পড়ছে তারা।
শহরের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত এ সকল উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা ফ্রি ফায়ার নামক গেমের নেশায় জড়িয়ে থাকছে।পৌর শহরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে প্রায় ১০ বছর থেকে ২০ বছরের উঠতি বয়সের যুবকরা নিয়মিত এ্যান্ড্রোয়েড ফোন দিয়ে এসব গেমে আসক্ত হচ্ছেন। এসব বিদেশী গেম থেকে শিক্ষার্থী বা তরুণ যুবসমাজ কে ফিরিয়ে আনতে না পারলে ভবিষ্যতে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
ফ্রি ফায়ার গেমসে আসক্ত নবম শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী জানায়, প্রথমে তার কাছে ফ্রি ফায়ার গেমস ভাল লাগত না। কিছু দিন বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন সে আসক্ত হয়ে গেছে। সে আরও জানায় বর্তমানে কয়েকজন মিলে গ্রুপ তৈরি করে জুয়ার মত করে খেলা হয় এসব গেমস,যেখানে ব্যয় হয় নগত টাকা।ফ্রি ফায়ার নামক গেমসকে মাদক দ্রব্যের নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় সুধীজনরা।এই সমস্যা থেকে আমাদের সন্তান, ভাই-বোনদের বাঁচাতে হলে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে,
না হলে তাদের ভবিষ্যত ধ্বংসের মুখে পড়বে। এমনবস্তায় উঠতি বয়সের কিশোর কিশোরীদের মা-বাবাসহ সমাজের সবারই খেয়াল রাখতে হবে, তারা যেন স্মাট ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার না করে।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102