News

অনুসন্ধান মূলক জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা অগ্রযাত্রা

তৃণমুল আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ বিজয় ঠেকাতে পারবে না

লেখক:
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

News

অনুসন্ধান মূলক জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা অগ্রযাত্রা

>সাখাওয়াত হোসেন শফিক

জয়ন্ত সাহা যতন,স্টাফ রিপোর্টারঃ
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক সাখাওয়াত হোসেন শফিক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানে দেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এ সাফল্য শেখ হাসিনার, এ সাফল্য আওয়ামী লীগের তৃণমুল নেতা-কর্মীদের। তৃণমুল আওয়ামী লীগের ঐক্য ধরে রাখা গেলে শেখ হাসিনার সমাদৃত ও প্রশংসিত অর্জনগুলোর কারণে বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। শনিবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন শফিক. তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শিকড় বাংলার মানুষের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত, তাই এই শিকড় কখনো তুলে ফেলা যায় না। অনেকেই ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের শিকড় তুলে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলো। কার্যত বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কোন বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কয়েক বছরে প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে, করোনার মধ্যেও দেশ এগিয়ে গেছে, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হয়েছে, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। কিন্তু এ উন্নয়ন ও পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপি ও তাদের কিছু মিত্রদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। তারা আবার ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে তাই সতর্ক থাকতে হবে। সুন্দরগঞ্জ সরকারি ডি ডব্লিউ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফরহাদ আব্দুল্লাহ হারুন বাবলু। উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক এমপি হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সাবেক এমপি ও সদস্য এ্যাড. সফুরা বেগম রুমি, জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা মুরাদের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিসেস আফরুজা বারী ও জেলা, উপজেলার নেতৃবৃন্দ।