বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশুগঞ্জ থেকে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক কুমিল্লায় মাদক কারবারিদের আতংকের আরেক নাম ডিএনসি ও টাস্কফোর্স! চুনারুঘাটে জমিতে মাটি কাটায় বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের হামলা। ৩ মহিলা আহত বাগমারায় যুবদলের ফরম বিতরণ অনুষ্ঠিত বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন রাজশাহী বাগমারা থানা পুলিশে’র পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ নওগাঁয় দুই দিনব্যাপী শিশু মেলার উদ্বোধন সময়ের বিবর্তনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের দূয়ারে, এর সঠিক ব্যবহার জরুরী গলাচিপায় মৎস্য জীবী লীগের সাংগঠনিক সভায় কমিটির রদবদল কান উৎসবে বঙ্গবন্ধু বায়োপিকের ট্রেইলার উদ্বোধনে ফ্রান্সের পথে তথ্যমন্ত্রী

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

Coder Boss
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬৬০ জন পড়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার –

রাজধানীর গুলশানে একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রখ্যাত শিল্পপতি বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবাহান তানভীরকে আসামি করে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে ওই তরুণীর বড় বোন। ঘটনার পর প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের বেশ কিছু তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার সন্ধ্যায় থানায় একটি ফোন আসে। তারপর ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার তিন তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। পরে সোমবার রাত দেড়টার দিকে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান। মুনিয়া কুমিল্লা শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমানের মেয়ে। তার পরিবার কুমিল্লায় থাকলেও মুনিয়া একাই ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন।

সুদীপ কুমার আরও জানান, দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে মোসারাত জাহান মুনিয়ার পরিচয় ছিল। মুনিয়ার ফ্ল্যাটে তার যাতায়াতের বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে। মুনিয়ার বড় বোনের অভিযোগ, ভিকটিমের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবাহান তানভীরের দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিচয় এবং সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মনমালিন্য ঘটে। পরবর্তীতে মুনিয়া কুমিল্লা চলে যান। পরে কুমিল্লা থেকে পুনরায় ঢাকায় আসেন। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে মুনিয়া তার বোনকে ফোন করে জানান, তার জীবনে যে কোনো সময় যে কোনো কিছু ঘটতে পারে।
সুদীপ আরও জানান, যদি সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায় যে, অভিযুক্ত দোষী, তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দণ্ডবিধিতে যে ব্যবস্থা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছে বলেও জানান তিনি।
মামলার তদন্ত নিয়ে ওসি বলেন, আমরা মামলাটিকে সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। থানার যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিনিই এই তদন্তের ভার নিয়েছেন। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সেটাই করা হবে।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান ২-এর ১২০ নম্বর সড়কে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে মুনিয়ার বড় বোন দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা খুলছিল না। এর কিছুক্ষণ আগে থেকে তার ফোনও বন্ধ ছিল। এরপর ফ্ল্যাট মালিকের উপস্থিতিতে মিস্ত্রি দিয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102