মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজাপুরে গণহত্যা দিবস পালিত ১৭ ই মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শহড়ের কালিবাড়ীতে বিশেষ প্রার্থনা। শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন আজকে অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান হয়েছে ঢাকসাস সাংবাদিক সমিতির ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার প্রত্যাবর্তন দিবস -তথ্যমন্ত্রী মেলান্দহে আভ্যন্তরীণ বোরো ধান চাল সংগ্রহ-২০২২ অভিযানের শুভ উদ্ভোদন ডিবি, নরসিংদী কর্তৃক ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রংপুরে ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে নবগঠিত কোতোয়ালি থানার সভাপতি সম্পাদক-কে বরণ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে গফরগাঁওয়ে যুবলীগের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে ছিলেন ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র আবু সালেক

Coder Boss
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১০ জন পড়েছে

ইয়াছিন মাহমুদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র ছিল আবু সালেক। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে বই খাতা ফেলে সীমানা পেরিয়ে কিশোরটি চলে গেলেন ভারতের আগরতলায়। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে লোক বাছাই চলছিল।
কিন্তু আবু সালেক বয়সে ছোট হওয়াতে ওকে কেউ-ই যুদ্ধে নিতে চাইল না। বাছাইয়ে না টিকে কান্নায় ভেঙে পড়ল ছেলেটি। ওর কান্না দেখে বাধ্য হয়ে ওকে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলো দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার গণ। আগরতলা থেকে আবু সালেক কে নিয়ে যাওয়া হলো মেলাগড় ক্যাম্পে। তারপর বড় যোদ্ধাদের সঙ্গে কিশোর আবু সালেক শুরু করল দেশকে স্বাধীন করার যুদ্ধ। এমনি একদিন ওরা ভীষণ যুদ্ধ করছিল চন্দ্রপুর গ্রামে। আবু সালেক সেই যুদ্ধে ছিল বাংকারে। প্রচণ্ড গোলাগুলি চলছে। মুক্তিবাহিনীর একপর্যায়ে টিকে থাকাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াল।এখন ওদের সামনে একটাই রাস্তা, পিছু হটতে হবে। আর পিছু হটতে হলে একজনকে তো ব্যাকআপ দিতে হবে। নইলে যে সবাই মারা পড়বে। এগিয়ে এলো সবার ছোট কিশোর আবু সালেক। ছোট্ট কাঁধে তুলে নিল বিশাল এক দায়িত্ব। ক্রমাগত গুলি করতে লাগল পাকবাহিনীর ক্যাম্প লক্ষ্য করে।আর সেই অবসরে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেল অন্যরা। ও কিন্তু গুলি করা থামাল না আবু সালেক। তার গুলির ধরন দেখে পাকবাহিনী মনে করল, মুক্তিযোদ্ধারা খুব সংগঠিতভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে। ফলে ওরাও পিছু হটে গেল। বাংকারে থেকে গেল শুধু আবু সালেক।একসময় রাত শেষ হয়ে সকাল হয়ে গেল। মুক্তিযোদ্ধারা ভেবেছিল আবু সালেক নিশ্চয়ই শহীদ হয়েছে। কিন্তু বাংকারে গিয়ে সবাই দেখল কিশোর আবু সালেক একা বাংকারে বসে আছে।মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে ছিলেন ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র আবু সালেক ।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102