1. admin@agrajatra24.com : Agrajatra 24 :
  2. Ashrafalifaruki030@gmail.com : আশরাফ আলী ফারুকী : আশরাফ আলী ফারুকী
  3. editor@agrajatra.com : News :
শুভ জন্মদিন রনাঙ্গনের যোদ্ধা ব্যারিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীরউত্তম - Agrajatra24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীর পুঠিয়ায় নাশকতার মামলায় বিএনপির ২ নেতা আটক পাইকগাছায় বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ডিসেম্বর থেকে বাঁশখালীতে দিনব্যাপী “ডিজিট্যাল উদ্ভাবনী মেলা”র উদ্বোধন করলেন সাংসদ মোস্তাফিজ ওজনে কম দেওয়ায় ডিলারকে জরিমানা দোয়ারাবাজারে বিদেশী মদের চালানসহ মদ ব্যবসায়ী আটক, পাইকগাছায় পাউবোর জায়গায় দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ রায়পু‌রে উপ‌জেলা প্রশাস‌নের মোবাইল কোর্ট প‌রিচালনায় জ‌রিমানা আদায় ৯৫টি চোরাই মোবাইলসহ আটক ৭, গোয়েন্দা উত্তর বিভাগ পাইকগাছায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সার-বীজ সহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ পাইকগাছা উপজেলা আইন শৃংখলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় পল্লীসমাজের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মামলা করেন নাটোরের নলডাঙ্গায় ড্রামে পাওয়া গেলো বাগমারার মোজাহারের রক্তাক্ত মৃতদেহ সুন্দরগঞ্জে বিজয় দিবসে কর্মসূচী গ্রহণের সভা রংপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপির অংশ না নেওয়ার ঘোষণা রাজাপুরে নিজ বাসা থেকে স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার এসএসসি’র সাফল‍্যে বামনডাঙ্গা শিশু নিকেতন এন্ড মডেল হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের আনন্দ র‍্যালী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক হলেন চট্রগ্রামের সোহেল

শুভ জন্মদিন রনাঙ্গনের যোদ্ধা ব্যারিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীরউত্তম

  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৭৯ জন পড়েছে

মোঃ তরিকুল সিকদার তারেক
ঝালকাঠি থেকে

যার বীরত্বের জন্য ২৩ নভেম্বর ১৯৭১ সালে রাজাপুর উপজেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়। সেনাবাহিনীর সেনা কর্মকর্তা মো. শাহজাহান ওমর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের শিয়ালকোটে কর্মরত ছিলেন। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সেখান থেকে পালিয়ে ভারতে যান এবং যুদ্ধে যোগ দেন। তাকে ৯ নম্বর সেক্টরের টাকি সাব-সেক্টরের বরিশাল বেইজের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি বরিশাল এলাকায় একের পর এক পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের দিশেহারা করেন। চাচৈর যুদ্ধের কয়েক দিন পর রাজাপুরের যুদ্ধে তিনি আহত হন।
১৯৭১ সালের ১২ নভেম্বররাতে মো. শাহজাহান ওমরসহ একদল মুক্তিযোদ্ধা নৌকাযোগে রওনা হন চাচৈরের উদ্দেশে। এর অবস্থান ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায়। মুক্তিযোদ্ধারা কয়েকটি উপদলে বিভক্ত। তিনি তাদের সার্বিক নেতৃত্বে। ভোরে সবার আগে তিনি কয়েকজন সহযোদ্ধাসহ পৌঁছান চাচৈরের কাছে। পৌঁছেই তিনি খবর পান যে ওই এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এসেছে। তারা কয়েকটি বাড়িতে আগুন দিয়ে আশপাশে অবস্থান নিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের দলগুলো তখনো সেখানে এসে পৌঁছায়নি। তার পরও মো. শাহজাহান ওমর সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করার। তখন তার দলের কাছে মাত্র একটি এসএলআর, একটি দুই ইঞ্চি মর্টার ও একটি ২২ বোর রাইফেল ছাড়া আর কোনো অস্ত্র ছিল না। এর মধ্যে দুটি উপদল এসে তার সঙ্গে যোগ দেয়। একটি দলকে তিনি পাঠান চাচৈর স্কুলে, অপর দলকে সঙ্গে নিয়ে প্রধান সড়কে তিনি নিজে অবস্থান নেন। সকাল আনুমানিক নয়টায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল ক্যাপ্টেন আজমত এলাহীর নেতৃত্বে স্কুলে আসে। মুক্তিযোদ্ধারা সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ চালান। পাকিস্তানি সেনারা ওই দলকে পাল্টা আক্রমণের পর ধাওয়া করে প্রধান সড়কে আসে। ওমর সহযোদ্ধাদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন পাকিস্তানি সেনাদের ওপর। গর্জে ওঠে মুক্তিযোদ্ধা সবার অস্ত্র। থেমে থেমে সারা দিন ধরে যুদ্ধ চলে। মুক্তিযোদ্ধারা তার নেতৃত্বে বিপুল বিক্রমে যুদ্ধ করেন। সন্ধ্যার পর পাকিস্তানি সেনারা বিপুল ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে পিছু হটে যায়। কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকার মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে একজন (আউয়াল) শহীদ ও দু-তিনজন আহত হন। পরদিন ১৪ নভেম্বর সকালে বরিশাল ও ঝালকাঠি থেকে নতুন সেনা এসে যোগ দেয় চাচৈরে অবস্থানরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আগের দলের সঙ্গে। মো. শাহজাহান ওমর এতে বিচলিত হননি, মনোবলও হারাননি। সহযোদ্ধাদের নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে তিনি পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ করেন। তাকে দেখে উজ্জীবিত হন অন্য সব সহযোদ্ধা। ওমর অগ্রভাগে থেকে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সেনারা বিপুল শক্তি নিয়েও তেমন সুবিধা করতে পারেনি। ১৪ নভেম্বরও সারা দিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। অনেক পাকিস্তানি সেনা হতাহত হয়। শেষের দিকে পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটতে থাকে। খাল পার হতে গিয়ে আরও কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে প্রাণ হারায়। সন্ধ্যার পর রাতের আঁধারে পাকিস্তানি সেনারা একেবারে পালিয়ে যায়। কয়েকজন মূল দলের সঙ্গে পালাতে না পেরে লুকিয়ে ছিল একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের খুঁজে বের করার পর আটক করে। এই যুদ্ধের সংবাদ তখন আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss