Agrajatra24.com
Agrajatra 24
UX/UI Designer at - Adobe

অনুসন্ধান মূলক জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা অগ্রযাত্রা

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গলাচিপা থানা পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমাদ মাঈনুল হাসান খুলনা মিম হত্যা মামলার গ্রেফতারকৃত দুই আসামির আদালতে স্বীকারোক্তি খুলনা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও ইউনিয়ন কমিটি গঠনের লক্ষে দিঘলিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সভা মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৯ তম মৃত‍্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কবি কর্ণ কুমার মন্ডলের সনেটিয় শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ। বরিশালে টিসিবির পন্য ক্রয়ে বিসিসির ফ্যামিলি কার্ড বিতরন লক্ষ্মীপুরে মাদক সহ আটকের পর ছাড়া পাওয়া আলতাফের দাফটে আতঙ্কে এলাকাবাসি নোয়াখালীতে সাংবাদিক রফিকুল আনোয়ারের শোক সভা অনুষ্ঠিতঃ হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের উদ্দোগে রান্না করা তৈরী খাবার বিতড়ন জেলা যুবলীগের সমাজ কল্যান সম্পাদক সুমনের পক্ষ থেকে শ্রীমতপুর এলাকায় এান বিতরণ। গলাচিপায় বাড়ির পাশের ডোবায় মিললো নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ ঝিকরগাছা শংকরপুরে ১নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। আসছে কাব্যিক পলাশের নতুন গান “কাঁদছে বুড়িগঙ্গা”; এইমেক্স ডিজিটালের সাথে চুক্তি মিঠাপুকুরের মহুরি পাড়া বাজারে মেঘনা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংককিং আউটলেটের উদ্বোধন কলারোয়ার পৌর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠনে সভপতি ইমরান সাঃসম্পাদক ভুট্রো নির্বাচিত। বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহের জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে যশোর জলা বিএনপি। ভৈরবে এমপির উপস্থিতিতে ৯ জনের নেতৃত্বে কয়েক শত নেতা কর্মী আওয়ামীলীগে যোগদান চুনারুঘাটে জালাল খাঁনের ফল বাগান থেকে বাৎসরিক আয় ৩ লক্ষ টাকা বাউফলের সূর্যমনিতে বিদুৎস্পৃষ্টে দিন মজুরের মৃত্যু বাহুবল উপজেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতড়ন ভারতে পাচার হওয়া বাংলাদেশি ২৫ তরুণ তরুণী বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষে দেশে ফেরৎ

শুভ জন্মদিন রনাঙ্গনের যোদ্ধা ব্যারিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীরউত্তম

Agrajatra24.com
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৬১ জন পড়েছে
Agrajatra24.com
Agrajatra 24
UX/UI Designer at - Adobe

অনুসন্ধান মূলক জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা অগ্রযাত্রা

মোঃ তরিকুল সিকদার তারেক
ঝালকাঠি থেকে

যার বীরত্বের জন্য ২৩ নভেম্বর ১৯৭১ সালে রাজাপুর উপজেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়। সেনাবাহিনীর সেনা কর্মকর্তা মো. শাহজাহান ওমর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের শিয়ালকোটে কর্মরত ছিলেন। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সেখান থেকে পালিয়ে ভারতে যান এবং যুদ্ধে যোগ দেন। তাকে ৯ নম্বর সেক্টরের টাকি সাব-সেক্টরের বরিশাল বেইজের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি বরিশাল এলাকায় একের পর এক পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের দিশেহারা করেন। চাচৈর যুদ্ধের কয়েক দিন পর রাজাপুরের যুদ্ধে তিনি আহত হন।
১৯৭১ সালের ১২ নভেম্বররাতে মো. শাহজাহান ওমরসহ একদল মুক্তিযোদ্ধা নৌকাযোগে রওনা হন চাচৈরের উদ্দেশে। এর অবস্থান ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায়। মুক্তিযোদ্ধারা কয়েকটি উপদলে বিভক্ত। তিনি তাদের সার্বিক নেতৃত্বে। ভোরে সবার আগে তিনি কয়েকজন সহযোদ্ধাসহ পৌঁছান চাচৈরের কাছে। পৌঁছেই তিনি খবর পান যে ওই এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এসেছে। তারা কয়েকটি বাড়িতে আগুন দিয়ে আশপাশে অবস্থান নিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের দলগুলো তখনো সেখানে এসে পৌঁছায়নি। তার পরও মো. শাহজাহান ওমর সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করার। তখন তার দলের কাছে মাত্র একটি এসএলআর, একটি দুই ইঞ্চি মর্টার ও একটি ২২ বোর রাইফেল ছাড়া আর কোনো অস্ত্র ছিল না। এর মধ্যে দুটি উপদল এসে তার সঙ্গে যোগ দেয়। একটি দলকে তিনি পাঠান চাচৈর স্কুলে, অপর দলকে সঙ্গে নিয়ে প্রধান সড়কে তিনি নিজে অবস্থান নেন। সকাল আনুমানিক নয়টায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল ক্যাপ্টেন আজমত এলাহীর নেতৃত্বে স্কুলে আসে। মুক্তিযোদ্ধারা সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ চালান। পাকিস্তানি সেনারা ওই দলকে পাল্টা আক্রমণের পর ধাওয়া করে প্রধান সড়কে আসে। ওমর সহযোদ্ধাদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন পাকিস্তানি সেনাদের ওপর। গর্জে ওঠে মুক্তিযোদ্ধা সবার অস্ত্র। থেমে থেমে সারা দিন ধরে যুদ্ধ চলে। মুক্তিযোদ্ধারা তার নেতৃত্বে বিপুল বিক্রমে যুদ্ধ করেন। সন্ধ্যার পর পাকিস্তানি সেনারা বিপুল ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে পিছু হটে যায়। কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকার মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে একজন (আউয়াল) শহীদ ও দু-তিনজন আহত হন। পরদিন ১৪ নভেম্বর সকালে বরিশাল ও ঝালকাঠি থেকে নতুন সেনা এসে যোগ দেয় চাচৈরে অবস্থানরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আগের দলের সঙ্গে। মো. শাহজাহান ওমর এতে বিচলিত হননি, মনোবলও হারাননি। সহযোদ্ধাদের নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে তিনি পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ করেন। তাকে দেখে উজ্জীবিত হন অন্য সব সহযোদ্ধা। ওমর অগ্রভাগে থেকে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সেনারা বিপুল শক্তি নিয়েও তেমন সুবিধা করতে পারেনি। ১৪ নভেম্বরও সারা দিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। অনেক পাকিস্তানি সেনা হতাহত হয়। শেষের দিকে পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটতে থাকে। খাল পার হতে গিয়ে আরও কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে প্রাণ হারায়। সন্ধ্যার পর রাতের আঁধারে পাকিস্তানি সেনারা একেবারে পালিয়ে যায়। কয়েকজন মূল দলের সঙ্গে পালাতে না পেরে লুকিয়ে ছিল একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের খুঁজে বের করার পর আটক করে। এই যুদ্ধের সংবাদ তখন আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102