মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজাপুরে গণহত্যা দিবস পালিত ১৭ ই মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শহড়ের কালিবাড়ীতে বিশেষ প্রার্থনা। শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন আজকে অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান হয়েছে ঢাকসাস সাংবাদিক সমিতির ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার প্রত্যাবর্তন দিবস -তথ্যমন্ত্রী মেলান্দহে আভ্যন্তরীণ বোরো ধান চাল সংগ্রহ-২০২২ অভিযানের শুভ উদ্ভোদন ডিবি, নরসিংদী কর্তৃক ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রংপুরে ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে নবগঠিত কোতোয়ালি থানার সভাপতি সম্পাদক-কে বরণ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে গফরগাঁওয়ে যুবলীগের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

শেরপুরে গজনী অবকাশে ঝুলন্ত ব্রিজসহ ৩টি স্থাপনা চালু

Coder Boss
  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৫ জন পড়েছে

আশরাফ আলী ফারুকী

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর পাহাড়ি জনপদে গড়ে তোলা গজনী অবকাশ কেন্দ্রে ক্যাবল কারসহ ৩টি নতুন স্থাপনা চালু করা হয়েছে। অন্য দুই আকর্ষণ জিপ লাইনিং ও ঝুলন্ত ব্রিজ। এতে এক পাহাড়ি টিলা থেকে আরেক পাহাড়ি টিলায় রোমাঞ্চকর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা লাভ করবেন পর্যটকরা। জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ গতকাল শুক্রবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ৩টি স্থাপনার উদ্বোধন করেন। এসময় অতরিক্তি জলো ম্যাজিস্ট্রেট তোফায়েল আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইয়েদ এম. মুরশেদ আলী, ঝিনাইগাতীর ইউএনও ফারুক আল মাসুদ এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দওেয়া হয়। নতুন স্থাপনা তিনটি নির্মাণে ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে এসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ ১৮ ডিসেম্বর শনিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে গজনী অবকাশ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, শেরপুরের গজনী অবকাশ ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে আরাধ্য এক নাম। ‘র্পযটনের আনন্দে তুলসীমালার সুগন্ধে’ জেলা ব্র্যান্ডিংয়ে গজনী অবকাশ শেরপুরকে অন্য উচ্চতায় তুলে ধরেছে। দেশের নানা প্রান্তের লোক কাজের ফাঁকে কিংবা ছুটির অবসরে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসেন। কেউবা একাকী, কেউবা বন্ধু-বান্ধবসহ ছুটে যান গজনী অবকাশে। গজনীর অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে জুড়ায় তাদের মন-প্রাণ। নতুন নতুন স্থাপনা ও বিভিন্ন রাইড সংযোজনের মাধ্যমে গজনী অবকাশকে পর্যটক ও ভ্রমণপিয়াসীদের নিকট আমরা আরো আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরতে চাই। আশা করছি নতুন সংযোজিত ৩টি স্থাপনা শেরপুরের পর্যটন বিকাশে বিশেষ ভূমকিা রাখবে।

শেরপুর জেলা সদর থেকে আনুমানিক ২৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের মেঘালয় সীমান্তে গারো পাহাড়ের পাদদেশে ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনয়িনের গজনী শালবনের প্রায় ৯০ একর জায়গাজুড়ে ১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গজনী অবকাশ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। শালবনের ভেতর উঁচু-নিচু পাহাড়ি টিলা, নদী-ঝর্ণার অর্পূব সমাহার এবং নান্দনিক ও আকর্ষণীয় নানা স্থাপনা নির্মাণের ফলে গজনী অবকাশ এখন জেলার বৃহৎ পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর এখানে হাজার হাজার পর্যটক ভ্রমণে আসেন।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102