1. admin@agrajatra24.com : Agrajatra 24 :
  2. Ashrafalifaruki030@gmail.com : আশরাফ আলী ফারুকী : আশরাফ আলী ফারুকী
  3. editor@agrajatra.com : News :
সারাদেশে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা কেন - Agrajatra24.com
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীর এক স্কুলের ১১৫ শিক্ষার্থীর ৯৬ জনই পায়নি উপবৃত্তির টাকা বাঁশখালীতে হাতির রহস্যজনক মৃত্যু, জানা গেল মাটি চাপা দেওয়ার ১৭ দিন পর। রাজশাহীতে সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার সহ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ ধামইরহাটে শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গড়ইখালী ইউনিয়ানের উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে ঝুকির মধ্যে দিয়ে চলছে স্বাস্থ্য সেবা কবিরাজ বাড়ী খাল পরিদর্শনে এলজিইডির ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর রাজশাহীতে সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার সহ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ দোকানদার কৃষি কর্মকর্তা শফিকের হামলার শিকার অগ্রযাত্রার সাংবাদিক(ভিডিও সহ) র‌্যাবের-১৩ অভিযানে ৫০৩ পিস ইয়াবাসহ ২,মাদক চোরাকারবারি গ্রেফতার বাগমারায় উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসাদুজ্জামান আসাদ দোয়ারাবাজারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পরিদর্শন সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার ডামুড্যায় পূজামন্ডপের প্রস্তুতি পরিদর্শনে ইউএনও হাছিবা খান গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিশ্ব নদী দিবস উদযাপন আজ সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পবিত্র মহালয়া। এ উপলক্ষে নিচের লেখাটি পাইকগাছায় আইনজীবী মোহতাছিম বিল্লাহর বাসা থেকে বাল্যবিবাহ প্রস্তুতকালে ১১ বছরের কন্যাসহ আটক ০৭ পাইকগাছা লতা ইউনিয়নে সুপেয় পানি সরবরাহের প্রকল্প উদ্ধোধন। সুন্দরগঞ্জে শেষ মূহুর্তে রং তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে উঠছে প্রতিমা রাঙ্গাবালী’তে ১৩ বছর পর যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত খুলনা জেলা প‌রিষদ নির্বাচন উপল‌ক্ষে পাইকগাছা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা কয়রায় ম‌হিলার গা‌য়ে এ‌সিড নি‌ক্ষে‌পের অ‌ভি‌যোগ

সারাদেশে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা কেন

  • সংবাদটি লিখা হয়েছে : শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ১৫৩ জন পড়েছে

 

কথায় আছে মানুষ নাকি বাঁচার জন্য ভাসমান খড়কুটোও আঁকড়ে ধরে। তাহলে কেন আত্মহত্যার মতো একটি কাণ্ড অবলীলায় ঘটিয়ে ফেলে সেই মানুষ? মানুষ কেন আত্মহত্যা করে এর কোন সুনির্দিষ্ট উত্তর নেই। জীবন শেষ করে দেওয়াকে অনেকে সাহসী, আবার অনেকে কাপুরুষোচিত কাজ বলে আখ্যা।
তবে নিরপক্ষ স্থান থেকে ভেবে দেখার সময় এসেছে কেন ঘটছে আত্মহত্যা, একে সামাজিক অবক্ষয় বলে চালিয়ে দেওয়া হলেও এই একটি কি আত্মহত্যার কারণ সম্প্রতিক সময়ে অল্প দিনের ব্যবধানে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা আমাদের নাড়া দিয়ে গেছে নিশ্চয়ই কোন একটা কিছু ঠিকঠাক নেই কিন্তু কি সেটা কি সেই কারণ?

করোনা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত আত্মহত্যার এই মিছিলে যুক্ত হয়েছে ২৮ শিক্ষার্থী পারিবারিক কলহ প্রেমঘটিত জটিলতা বেকারত্ব নিঃসঙ্গতা মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা থেকে অনেক আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। তাদের মধ্যে ১১জনই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৩ বছরে আত্মহত্যা করেছে একজন শিক্ষার্থী আর শুধু গত বছরই আত্মহত্যা করেছে ১১ জন।

এক জরিপ অনুযায়ী বিশ্বে বর্তমানে ১৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী মানুষের মৃত্যুর প্রধান তিনটি কারণের মধ্যে একটি হচ্ছে আত্মহত্যা। দেশে দেশে আত্মহত্যার কারন বিশ্লেষণ করে জানা যায় মানসিক দুশ্চিন্তা আত্মহত্যার একমাত্র কারণ নয়। এর পিছনে কাজ করে অর্থনৈতিক অবস্থা এবং জীবন ধারণের অবনতির আশঙ্কা। তবে কারণ যাই হোক না কেন আত্মহত্যা কোন সমস্যার সমাধান নয়। কাছের মানুষ কোন ধরনের সমস্যায় ভুগছে সেটা বুঝতে পারলে তাকে অবশ্যই মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া উচিত।
সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানের মনে করেছেন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে শিক্ষার্থীরা শংকিত। লকডাউনে অধিকাংশ সময় বাড়িতে বসে সময় কাটালে এরকম সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এসব রোধে পরিবারিক বন্ধন আরো দৃঢ় করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে দেশে তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি শিক্ষা জীবন শেষ করার পর চাকরি না, পাওয়ায় জীবনের প্রতি হতাশা, প্রেম ব্যর্থতা, নারীদের ক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার হওয়ায়, সামাজিক লজ্জা বিয়ের পর যৌতুকের টাকার জোগান দিতে না পারা, সামাজিক নিরাপত্তার অভাব চরম দারিদ্র্য এরকম নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

ডিপ্রেশন বা মানসিক চাপের কারণে কি আত্মহত্যা বাড়ছে? কেন ডিপ্রেশনে ভোগে মানুষ? প্রশ্ন হচ্ছে সেই রোগ যেটি মূলত চাওয়া-পাওয়ার পার্থক্যের কারণে সৃষ্টি হয়। এটি অনেকটা সামাজিক আর পারিবারিক ভাবে সৃষ্ট। অমুকের ছেলে রেজাল্ট, তো এরকম কেন? অমুকের দুটো গাড়ি, আমাদের নেই কেন? আমার কি নেই যে সে আমাকে ছেড়ে চলে গেল? হীনমন্যতার সৃষ্টি হয় এভাবেই। যেখানে থেকেও ঘটে আত্মহত্যা করে এভাবে।

দেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাবা-মায়েরাও সন্তানদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকে না। তারা আসলে সন্তানদের একটা পেশার কুকারের মধ্যেই রাখেন। তাদের পছন্দের জীবন কাটাতে বাধ্য করেন। সন্তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আমাদের দেশে আসলে কখনোই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এটা একটা সমস্যা।
আত্মহত্যা থেকে মানুষকে দূরে রাখার জন্য স্কুল-কলেজ সহ-শিক্ষার প্রতিটি স্তরে পর্যাপ্ত কাউন্সেলিং ও প্রচারণা ব্যবস্থা করতে হবে। সচেতন হওয়া দরকার সবার। অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বের হতে হবে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবতে হবে।ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে আসুন আত্মহত্যা কে না বলি জীবনকে ভালবাসতে শিখি।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Agrajatra 24
Design & Develop BY Coder Boss